ছুরিকাঘাতে নিহত কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বাদ জোহর কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজা শেষে পৌর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এদিন নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান চারজনকে আসামি করে মামলার আবেদন করেছেন বলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি মাসুদ রানা জানান। তিনি বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে- হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন ও আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলু রহমানকে।
অন্য আসামিরা হলেন- সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষক ও উম্মুল মোমেনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহযোগী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং সহযোগী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।
ফজলুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। তিনি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন এবং আশঙ্কামুক্ত বলে জানান হাসাপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম।
আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ মোড়ে তার পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের খণ্ডকালীন শিক্ষক। এই দম্পতির তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। ফজলুর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের শাস্তিডাঙ্গা ১৪ মাইলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার চাচা খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, “প্রায় ১০ বছর ধরে ফজলুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার রোলে কাজ করেন। কিছুদিন আগে তাকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়।
সূত্র- বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম


















