মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গৌরগঞ্জ-ডহরি-তালতলা খালটি এখন অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের নিরাপদ নৌপথে পরিণত হয়েছে। পদ্মা নদী থেকে রাতের অন্ধকারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা বাল্কহেডের মাধ্যমে নিরাপদে বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দিচ্ছে এক প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেট। দিন-রাত নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এসব বাল্কহেড চলাচলের কারণে খালের দুই পাড়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি সিন্ডিকেট রাতের অন্ধকারে পদ্মা নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু তোলে। পরবর্তীতে সেই বালু বাল্কহেডে লোড করে ডহরি-তালতলা খাল ব্যবহার করে বিভিন্ন গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হয়।
অনুসন্ধানে জানাগেছে, গত ২০২৩ সালে নদী ভাঙন ও দুর্ঘটনা এড়াতে এই খালে বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র চাঁদার মাধ্যমে অবৈধভাবে শত শত বাল্কহেড চলাচলের সুযোগ করে দিচ্ছে। এর ফলে খালের দুই তীরে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে হাড়িদিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, খালের দুই পাড়ে বসতবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও ধর্মীয় স্থাপনা।
দিন কিংবা রাত, যেকোনো সময়েই অবাধে চলাচল করছে এসব বাল্কহেড। খালটি তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়ায় ভারী ও বেপরোয়া বাল্কহেড চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এ খালে গত পাঁচ বছরে বাল্কহেড দুর্ঘটনায় ৩০ জনের বেশি প্রানহানি ঘটেছে।
অনিয়ন্ত্রিত বাল্কহেড চলাচলের ফলে সৃষ্ট ঢেউয়ের আঘাতে ডহরি-তালতলা খালের দুই পাড়জুড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে খালের দুই পাড়ের অর্ধশতাধিক পরিবার নিজেদের বসতবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও আঞ্চলিক রাস্তাঘাট।
ক্ষতিগ্রস্ত খাল পাড়ের স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর বলেন, দিনের পর দিন চোখের সামনে বাল্কহেড যাচ্ছে আর পাড় ভেঙে নদীতে মিশে যাচ্ছে। আমাদের ঘরবাড়ি ভিটেমাটি সব শেষ হয়ে গেল, অথচ দেখার কেউ নেই।
খাল পাড়ের বাসিন্দা সেন্টু ফকির বলেন, অনবরত বাল্কহেড চলাচলের বিকট শব্দ ও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় খালের দুই পাড়ের মানুষ এখন সার্বক্ষণিক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভাঙন আতঙ্কে অনেক পরিবার ভিটেমাটি ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন-রাত শত শত বাল্কহেড যাতায়াত করলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। বালু ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হাত থেকে ডহরি-তালতলা খাল রক্ষা এবং পাড় ভাঙন বন্ধে অবিলম্বে বাল্কহেড চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, জেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটি মিটিংয়ে ডহরি-তালতলা খালে বাল্কহেড চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটি চক্র চাঁদার বিনিময় খালে বাল্কহেড চলাচল করতে সহায়তায় করছে এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বাল্কহেড বন্ধে থানা পুলিশ, নৌপুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকায়বাসী যৌথভাবে কাজ করবে।
দিন কিংবা রাত, যেকোনো সময়েই অবাধে চলাচল করছে এসব বাল্কহেড। খালটি তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়ায় ভারী ও বেপরোয়া বাল্কহেড চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এ খালে গত পাঁচ বছরে বাল্কহেড দুর্ঘটনায় ৩০ জনের বেশি প্রানহানি ঘটেছে।
অনিয়ন্ত্রিত বাল্কহেড চলাচলের ফলে সৃষ্ট ঢেউয়ের আঘাতে ডহরি-তালতলা খালের দুই পাড়জুড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে খালের দুই পাড়ের অর্ধশতাধিক পরিবার নিজেদের বসতবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও আঞ্চলিক রাস্তাঘাট।
ক্ষতিগ্রস্ত খাল পাড়ের স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর বলেন, দিনের পর দিন চোখের সামনে বাল্কহেড যাচ্ছে আর পাড় ভেঙে নদীতে মিশে যাচ্ছে। আমাদের ঘরবাড়ি ভিটেমাটি সব শেষ হয়ে গেল, অথচ দেখার কেউ নেই।
খাল পাড়ের বাসিন্দা সেন্টু ফকির বলেন, অনবরত বাল্কহেড চলাচলের বিকট শব্দ ও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় খালের দুই পাড়ের মানুষ এখন সার্বক্ষণিক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভাঙন আতঙ্কে অনেক পরিবার ভিটেমাটি ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন-রাত শত শত বাল্কহেড যাতায়াত করলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। বালু ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হাত থেকে ডহরি-তালতলা খাল রক্ষা এবং পাড় ভাঙন বন্ধে অবিলম্বে বাল্কহেড চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, জেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটি মিটিংয়ে ডহরি-তালতলা খালে বাল্কহেড চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। একটি চক্র চাঁদার বিনিময় খালে বাল্কহেড চলাচল করতে সহায়তায় করছে এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বাল্কহেড বন্ধে থানা পুলিশ, নৌপুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকায়বাসী যৌথভাবে কাজ করবে।


















