এদিকে বুধবার রাতেই চুনকা কুটিরের সামনে ও আশপাশের কয়েকটি স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে পুলিশ। আইভীর পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রশাসনিক চাপ ও নিরাপত্তার কারণে বাড়িতে আসা লোকজনের সংখ্যা সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরও বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা–কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আইভীর খোঁজখবর নিতে আসছেন।
আইভীর মুক্তির খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুরা এলাকা থেকে তাঁকে দেখতে এসেছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী হান্নান মিয়া। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে ফুলের মালা দিয়ে আইভীকে শুভেচ্ছা জানান।
হান্নান মিয়া বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। আইভী মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তাঁকে দেশের মানুষ ভালোবাসে। সেই ভালোবাসা থেকেই তাঁকে দেখতে এসেছি।’
এ সময় আইভীর স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে তাঁর ভগ্নিপতি আবদুল কাদির এবং সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনির উপস্থিত ছিলেন।
দেখা যায়, আইভীর বাসভবনের সামনে ও আশপাশের কয়েকটি স্থানে পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে এসব ক্যামেরা বসানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের নিজস্ব বিষয়।’ কেন লাগানো হয়েছে, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিরাপত্তাসহ সার্বিক কারণে লাগানো হয়েছে। নজরদারির বিষয়টিও স্বীকার করেন তিনি।