শনিবার , ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. Bangladesh
  2. Economics
  3. English version
  4. National
  5. Politics
  6. World News
  7. অন্যান্য
  8. অপরাধ
  9. অর্থনীতি
  10. আইন-আদালত
  11. আন্তর্জাতিক
  12. আবহাওয়া
  13. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  14. কলাম
  15. কৃষি

সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রতিবেদক
সভ্যতার আলো ডেস্ক
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫ ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার: অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ (১৯৩১–২০১২)-এর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর মাননীয় উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক অধ্যাপক ড. মোঃ আখতার হোসেন খান। প্রধান অতিথি হিসেবে (ভার্চুয়ালি) যুক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন। বিশেষ অতিথি হিসেবে (ভার্চুয়ালি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইমতিয়াজ আহম্মেদ বাবু, মোসা: কমরুন নেহার, সেলিনা বেগম এবং অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক চৌধুরীর সহধর্মিণী অধ্যাপক ডা. মাসুমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

এছাড়াও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুল কাইউম সরদার, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ফাহমিদা কাসেম এবং এগ্রিবিজনেস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মোশাররফ হোসেনসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জাবের আহদ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান আশরাফ উদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন বলেন, অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা মুন্সীগঞ্জে একটি ব্যতিক্রমী স্কুল প্রতিষ্ঠাই করেননি; তিনি দেশের শত শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এবং জ্ঞান বিতরণে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করে রাষ্ট্র গঠনে অবদান রেখেছেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুষম উন্নয়ন ও সুষ্ঠু পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পাশাপাশি ভিন্নমতের মানুষের প্রতি সম্মানবোধ অর্জনই প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি।

 

মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. মোঃ আখতার হোসেন খান তাঁর বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তাঁর প্রত্যক্ষ শিক্ষক ছিলেন এবং শিক্ষাদানে অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিতেন। গুটি ইউরিয়া সার নিয়ে তাঁর গবেষণা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক ও মানবিক মানুষ; ছাত্রদের প্রয়োজন হলে কেউই তাঁর কাছ থেকে নিরাশ হয়ে ফিরত না। তাঁর এই মানবিক গুণাবলি আমরা আয়ত্ত করতে পারলে দেশ উন্নয়নের পথে আরও এগিয়ে যাবে।

 

বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইমতিয়াজ আহম্মেদ বাবু বলেন, তাঁর শ্রদ্ধেয় পিতা অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে উপস্থিত সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, পিতা ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, গবেষক, প্রশাসক এবং দেশপ্রেমিক মানুষ। তাঁর কাছ থেকে সততা, নৈতিকতা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার শিক্ষা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করে তিনি সবার কাছে পিতার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চান।

 

বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সেলিনা বেগম বলেন, অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন একজন পরোপকারী ও জ্ঞানী মানুষ। দেশের মানুষকে শিক্ষিত ও জ্ঞানসমৃদ্ধ করতে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করেন।

 

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন দেশ ও জাতির জন্য এক অমূল্য সম্পদ। শিক্ষিত জাতি গঠনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি আরও স্মরণ করেন অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগমকে—যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানটিকে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করেছিলেন। শেষে তিনি তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে জান্নাতুল ফেরদৌস প্রার্থনা করেন।

 

সর্বশেষ - মুন্সীগঞ্জ