বুধবার , ২১ জুন ২০২৩ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরো
  7. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  8. কলাম
  9. কৃষি
  10. খুলনা বিভাগ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. জাতীয়
  15. ঢাকা বিভাগ

মুন্সীগঞ্জে ডিস ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ৮ জনের যাবজ্জীবন

প্রতিবেদক
সভ্যতার আলো ডেস্ক
জুন ২১, ২০২৩ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ রিপোর্টার: ছয় বছর আগে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সোহেল প্রধান নামে এক ডিস লাইন ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো– কামাল মোল্লা, জালাল মোল্লা, বিল্লাল মোল্লা, হারুন মোল্লা, মহসিন মোল্লা, আমির হোসেন, জাকির হোসেন, জাবের হোসেন। তাদের মধ্যে আমির হোসেন, জাকির হোসেন, জাবের হোসেন পলাতক। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর ১২ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২১ জুন) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মাসুদ করিম এ রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মাহবুবুর রহমান বিষয়টি জানান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী সোহেল প্রধান (২৬) মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানার টেংগারচর গ্রামের নাছির উদ্দিন প্রধানের ছেলে। গ্রাম্য দলাদলির জেরে পূর্ব শত্রুতার কারণে পরিকল্পিতভাবে খুন করার উদ্দেশ্যে ঢাকার মিরপুর ১ নম্বর গোলচত্বর থেকে ২০১৭ সালের ৫ মে রাত ৯টার দিকে সোহেলকে অপহরন করে আসামিরা। এ সময় তারা গামছা দিয়ে সোহেলের মুখ বেঁধে একটি সাদা গাড়িতে গজারিয়ার টেংগারচর গ্রামে আসামি কামাল মোল্লার বাড়ির সামনে নিয়ে যায়। এরপর তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাশের ভুট্টা ক্ষেতের ভেতরে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে। মৃত্যু হয়েছে ভেবে ভুক্তভোগীকে মেঘনা নদীতে ফেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সিএনজিতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় পথে টহল পুলিশের গাড়ির আওয়াজ পায় আসামিরা। এতে তড়িঘড়ি করে গুরুতর আহত সোহেলকে গজারিয়ার জামালদি ব্রাক অফিসের পাশে ফেলে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। আহত সোহেলকে উদ্ধার করে গজারিয়া (ভবেরচর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় টহল পুলিশ।

পরে ডাক্তারের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোহেলকে ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়ার পথে সোহেল তার ভাইসহ আত্মীয়স্বজনদের কাছে আসামিদের নাম ও ঘটনা বলেন।

এ ঘটনায় সোহেলের মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গজারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে তিন জন আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

 

সর্বশেষ - মুন্সীগঞ্জ