মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে শামুরবাড়ি গ্রামে পুকুরে থাকা সেই কুমির উদ্ধারে ঢাকা বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের একটি দল এসে উদ্ধার অভিযানে নেমেছে৷
সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুকুর ও পদ্মা নদীতে উদ্ধার টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন৷
উদ্ধার অভিযানে ঢাকা বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট পুকুরে নৌকা দিয়ে ও ড্রোনের মাধ্যমে পদ্মা নদীতে ৫ ঘন্টা খোঁজে কুমিরের সন্ধান পায়নি ৷ উদ্ধার ইউনিট মসজিদের মাইকে ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নদীতে নামা গোছল করা ও জেলেদের মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানান৷ এ দিকে সোমবার সকালে কয়েক বার আরেকটি কুমির পদ্মা নদীর তীরের কাছাকাছি দেখা গেছে৷
বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আস সাদিক ও অসিম মল্লিক বলেন, ড্রোনের মাধ্যমে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত খোঁজে কুমির দেখা যায়নি পুকুরেও পাওয়া যায়নি৷ হয়তো সন্ধ্যায় বা সকালে দেখা যেতেও পারে৷ যেহেতু সকালে কুমির নদীর দেখা গেছে এজন্য আমরা আগামী ৪৮ ঘন্টা পানিতে নেমে গোছল করতে নিষেদ করেছি আমরা মাইকিং করেছি৷ আমরা পুকুরের কচুরিপানা পরিস্কার করে সর্বশেষ দেখবো৷ আতঙ্কের বিষয় ওই কর্মকর্তারা আরও বলেন মিঠা পানির কুমির মাছ খায় মানুষকে ওই ভাবে আক্রমণ করে না যদি কাছে যায় তাদের হয়তো কামর দিবে কিন্তু মানুষ খায় না৷ কিন্তু নোনা পানির কুমির মানুষকে আক্রমণ করে৷
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, গত শুক্রবার দিনগত রাত ১টার দিকে পথচারী মো. রানা ওরফে মধু এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় পুকুর পাড় গোয়াল ঘরের নিকটে কুমির দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ডাকলে স্থানীয় বাসিন্দারা কুমিরটি দেখতে পায়৷ টস লাইটের আলোতে কুমিরের ছবি তুলতে গেলো কুমির পুকুরে চলে যায়৷ শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ৩ টায় দিকে কুমির পুকুর থেকে লোকালয় আসলে স্থানীয় মসজিদের ইমাম কুকুরের ঘেউ ঘেউ শুনে উঠলে বাহিরে পুকুর পাড়ে কুমির দেখা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন তখন কুমির পুকুরে চলে যায়৷ দিনের বেলা পুকুরে আরো কয়েক দফ কুমিরটি দেখা যায়৷ সোমবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পুকুরের নিকটবর্তী পদ্মা নদীতে কয়েকবার আরেকটি কুমির দেখতে পেয়ে শুরু হয় নতুন করে আবার আতঙ্ক৷ লোকজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে দেয়৷
এর আগে শনিবার ইউএনও মো. নেছার উদ্দিন পুকুরে কুমিরের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঢাকা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তাকে জানান৷ উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে নিরাপত্তার জন্য পুকুরের চারপাশে গ্রাম পুলিশ পাহারায় বসানো হয়৷ এবং প্রাণীকে কোন ধরনের আঘাত না করতে বলা হয়৷##
বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আস সাদিক ও অসিম মল্লিক বলেন, ড্রোনের মাধ্যমে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত খোঁজে কুমির দেখা যায়নি পুকুরেও পাওয়া যায়নি৷ হয়তো সন্ধ্যায় বা সকালে দেখা যেতেও পারে৷ যেহেতু সকালে কুমির নদীর দেখা গেছে এজন্য আমরা আগামী ৪৮ ঘন্টা পানিতে নেমে গোছল করতে নিষেদ করেছি আমরা মাইকিং করেছি৷ আমরা পুকুরের কচুরিপানা পরিস্কার করে সর্বশেষ দেখবো৷ আতঙ্কের বিষয় ওই কর্মকর্তারা আরও বলেন মিঠা পানির কুমির মাছ খায় মানুষকে ওই ভাবে আক্রমণ করে না যদি কাছে যায় তাদের হয়তো কামর দিবে কিন্তু মানুষ খায় না৷ কিন্তু নোনা পানির কুমির মানুষকে আক্রমণ করে৷
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, গত শুক্রবার দিনগত রাত ১টার দিকে পথচারী মো. রানা ওরফে মধু এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় পুকুর পাড় গোয়াল ঘরের নিকটে কুমির দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ডাকলে স্থানীয় বাসিন্দারা কুমিরটি দেখতে পায়৷ টস লাইটের আলোতে কুমিরের ছবি তুলতে গেলো কুমির পুকুরে চলে যায়৷ শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ৩ টায় দিকে কুমির পুকুর থেকে লোকালয় আসলে স্থানীয় মসজিদের ইমাম কুকুরের ঘেউ ঘেউ শুনে উঠলে বাহিরে পুকুর পাড়ে কুমির দেখা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন তখন কুমির পুকুরে চলে যায়৷ দিনের বেলা পুকুরে আরো কয়েক দফ কুমিরটি দেখা যায়৷ সোমবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পুকুরের নিকটবর্তী পদ্মা নদীতে কয়েকবার আরেকটি কুমির দেখতে পেয়ে শুরু হয় নতুন করে আবার আতঙ্ক৷ লোকজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে দেয়৷
এর আগে শনিবার ইউএনও মো. নেছার উদ্দিন পুকুরে কুমিরের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঢাকা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তাকে জানান৷ উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে নিরাপত্তার জন্য পুকুরের চারপাশে গ্রাম পুলিশ পাহারায় বসানো হয়৷ এবং প্রাণীকে কোন ধরনের আঘাত না করতে বলা হয়৷##
মো. শওকত হোসেন, লৌহজং মুন্সীগঞ্জ থেকে:


















