মঙ্গলবার , ২৭ জুন ২০২৩ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরো
  7. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  8. কলাম
  9. কৃষি
  10. খুলনা বিভাগ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. জাতীয়
  15. ঢাকা বিভাগ

মুন্সীগঞ্জে শ্রমিক লীগের তিনটি আহবায়ক কমিটি!

প্রতিবেদক
সভ্যতার আলো ডেস্ক
জুন ২৭, ২০২৩ ৪:৩০ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ রিপোর্টার: মুন্সীগঞ্জ জেলায় জাতীয় শ্রমিক লীগের তিনটি আহবায়ক কমিটি বিদ্যমান রয়েছে। আর একে কেন্দ্রে করে ইতোমধ্যে দু’টি আহবায়ক কমিটি পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে তারা জেলা কমিটির সম্মেলন করা ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে উভয়ে সম্মেলনে দাবি করেছেন। আর এ বিষয়কে কেন্দ্র করে জেলাতে এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে উভয় গ্রুপের মধ্যে। তবে অন্য আহবায়ক কমিটি এখনো এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোন ঘোষণা না দিলেও গণযোগাযোগ মাধ্যমে তাদের কমিটিই একমাত্র বৈধ কমিটি বলে প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইতোমধ্যে এক আহবায়ক কমিটিকে সম্মেলন করার জন্য পত্র দিয়েছেন। আর সেখান থেকে আবার সাধারণ সম্পাদক আরেক আহবায়ক কমিটিকে পত্র দিয়েছেন জেলায় সম্মেলন করতে। আর তাতেই এখানে দেখা দিয়েছে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা। কেন্দ্রীয় কমিটিতে এ বিষয়ে সমন্বয় না থাকার কারণে এখানে বর্তমানে এ ধরণের পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে অনেকেই মনে করছেন। সাধারণত এ ধরণের কাজে যৌথভাবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরে পত্র দিলে এমনটি হতো না। এখানকার এ পরিস্থিতি প্রশমিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ খুবই জরুরী

২০১৮ সালের পরপরই জেলায় জাতীয় শ্রমিক লীগের কমিটি নিয়ে আবির্ভাব ঘটে সোহেল মোল্লার। সোহেল মোল্লা হচ্ছেন এ কমিটির আহবায়ক। আর তার সদস্য সচিব হন শেখ আরফান হোসেন। সেই সময়ে এ কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন আক্কাস আলী। সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী মোফাজ্জ্বল চৌধুরী মায়া হচ্ছেন সোহেল মোল্লার আত্নতীয়। এমনটি প্রচারণা চালান সোহেল মোল্লা। এ ধরণের রাজনীতিতে মুন্সীগঞ্জের মাটিতে আগে কখনো সোহেল মোল্লাকে দেখা যায়নি। এ কমিটির মাধ্যমে তিনি এখানে নতুন মুখ হিসেবে আসেন বলে অনেকেই দাবি করেন। তার বাড়ি হচ্ছে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নে। আর সদস্য সচিবের বাড়ি হচ্ছে লৌহজং উপজেলায়। এ কমিটি নিয়ে একটি সময়ে আক্কাস আলীর সাথে সোহেল মোল্লার বিরোধ দেখা দেয় বলে জানা গেছে। এ বিরোধের জেরে কোন এক সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের অফিসে সোহেল মোল্লার উপরে আক্কাসের লোকজন হামলা চালায়। এ ঘটনার পর থেকে সোহেল মোল্লা আর মুন্সীগঞ্জ শহরমুখী হননি। তবে তিনি টঙ্গীবাড়ী ও লৌহজংয়ে সংগঠনের কমসূচি পালন করেছেন জেলা শ্রমিক লীগের ব্যানারে। এসব ঘটনার পরে আক্কাস আলী পরবর্তী পর্যায়ে নিজেকে জেলা কমিটির আহবায়ক দাবি করে দলের কর্মসূচি পালন করতে থাকেন। আক্কাস হচ্ছে জেলা আওয়ামী লীগের মোঃ মহিউদ্দিনের অনুসারী। এ কমিটির মাধ্যমে সে বিভিন্ন এলাকায় কমিটিতে দিতে থাকেন। তার মধ্যে পৌর শহর কমিটি যাকে দেয়া হয়, সে কখনো আওয়ামী লীগ অনুসারি ছিলেন না। ইতোমধ্যে সেই কমিটির কর্ণধার মাদক নিয়ে হাজত বাস করেছেন।  এদিকে এ বাস্তবায়তায় এখানে এ সময়টাতে দু’টো কমিটি দেখা যায়। এ কমিটিতে মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের অনুসারি আবুল কাশেমের কোন ঠাই হয়নি। তবে শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগের ব্যানারে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। এর মধ্যে তিনিও ইতোমধ্যে ঐ ব্যানারে আহবায়ক কমিটি ঘোষণা দিয়ে বিভিন্ন কমিটি গঠনে মাঠে তৎপর হয়ে উঠেন। তার কমিটির সদস্য সচিব হচ্ছেন সলেমান। তাদের কমিটির অনুমোদন দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এ ঘটনার পরে আক্কাস আলী এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। এদিকে সোহেল মোল্লা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির কাগজ নিয়ে নিজের তৎপরাতার প্রচারণায় রয়েছেন।

 

 

সর্বশেষ - বাংলাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত