নিজস্ব প্রতিবেদক: বিক্ষোভকারীরা জানান, তারা সেই ১৮ হাজার শ্রমিকের মধ্য থেকে এসেছেন, যারা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ২০২৪ সালের ৩১ মে’র সময়সীমার মধ্যে যাত্রা করতে পারেননি। এসময় তারা নিজেদের পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীরা রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সোনারগাঁও মোড়ে বিক্ষোভ করেছেন। এতে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তারা কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা এলাকা আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন। মালয়েশিয়া যেতে না পারা প্রায় এক হাজার কর্মী বিক্ষোভে জড়ো হন। কর্তৃপক্ষের আশ্বাস পেয়ে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তারা অবরোধ ছেড়ে দেন। রাস্তা ছেড়ে বিক্ষোভকারীরা সোনারগাঁও হোটেলের বিপরীতে পার্কে অবস্থান নিচ্ছেন।
এদিকে বিক্ষোভ ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি দেখা গেছে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, তারা সেই ১৮ হাজার শ্রমিকের মধ্য থেকে এসেছেন, যারা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ২০২৪ সালের ৩১ মে’র সময়সীমার মধ্যে যাত্রা করতে পারেননি।
এসময় তারা নিজেদের পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন— যাদের ই-ভিসা ৩১ মে’র আগে ইস্যু হয়েছে কিন্তু বিএমইটির ছাড়পত্র পাননি, এবং যারা সব প্রক্রিয়া শেষ করেছেন, তাদেরকে দ্রুত মালয়েশিয়া পাঠাতে হবে। নতুন সাক্ষাৎকার হোক বা না হোক, কোনো শ্রমিককে প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা যাবে না। অতি দ্রুত একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে হবে এবং লিখিতভাবে একটি স্মারকলিপি দিতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা ও প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই স্মারকলিপি জমা দিতে হবে। লিখিত তারিখের মধ্যে শ্রমিকদের পাঠানো সম্ভব না হলে সরকারকে অবিলম্বে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
মালয়েশিয়া যেতে না পারা বিক্ষোভকারী ফয়সাল সিকদার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সরকার বলেছিল বিনা টাকায় মালয়েশিয়া পাঠাবে। বোয়েসেল আমাদেরকে বিভিন্ন টিটিসিতে ১৫ দিন ট্রেইনিং করায়। আমরা সবাই চাকরি ছেড়ে ট্রেইনিং করি। এর দুই দিন পর বোয়েসেল থেকে ফোন করে জিজ্ঞেস করে, আপনি কি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা দিতে পারবেন? আমরা ৬ লাখ টাকা এজেন্সিকে দিয়েছি। তারপরও আমরা বলেছি টাকা দিব। এর এক সপ্তাহ পর আবার বোয়েসেল থেকে জানায়, ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা লাগবে খরচ। তাহলে এটি সরকারিভাবে কি সুবিধা দিল?’


















