ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র জমা করছে বলে অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী জোনায়েদ সাকি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের বিএনপি জোটের এই সংসদ সদস্য প্রার্থী মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার ভোজন বাড়ি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন।
দুদিনে নির্বাচনি পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বাঞ্ছারামপুরের বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে বাঁশের লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র জমা করা হচ্ছে। এটি একটি ভয়ঙ্কর উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড, যা ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।
“আমরা নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছি, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভয়ভীতি ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”
তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রে জালিয়াতি রোধে গণসংহতি আন্দোলন ও বিএনপি জোটের নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। আমরা নিজেরা জালিয়াতি করব না, অন্য কাউকেও করতে দেব না। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ভোট কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
অভিযোগে বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো, মহসিনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।
অভিযোগে বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের কিছু ঘটছে না। একেবারে ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমরা সংবাদ সম্মেলনে সব জানাব।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি এ কে এম মুসা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালে মুসা।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম


















